ইচ্ছাকৃত ও অকারনে নামাজ অথবা জামায়াত পরিত্যাগ করার পরিণতি

ইচ্ছাকৃত ও অকারনে নামাজ অথবা জামায়াত পরিত্যাগ করার পরিণতি

ইচ্ছাকৃত ও অকারনে নামাজ অথবা জামায়াত পরিত্যাগ করার পরিণতি

💫بسم الله الرحمن الرحيم💫
✨نحمده تبارك و تعالي و نصلي ونسلم على حبيبه الاعلى أما بعد-✨
বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মুসলিম নামে পরিচিত ব্যক্তিরা ইচ্ছাকৃত ও অকারনে নামাজ পরিত্যাগ করে থাকেন অথচ ইসলাম শরীয়তে নামাজ পরিত্যাগ করা অনেক বড় একটি গুনাহ এবং আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর প্রিয়তম রাসূল সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসন্তুষ্টির বড় একটি কারণ। ইচ্ছাকৃত ও অকারনে নামায পরিত্যাগ করা সংক্রান্ত কিছু হাদিস নিম্নে প্রদত্ত হলো, আশা করি মনোযোগ সহকারে হাদিস গুলো পড়বেন-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ فِتْيَتِي أَنْ يَجْمَعُوا حُزَمَ الْحَطَبِ ثُمَّ آمُرَ بِالصَّلاَةِ فَتُقَامَ ثُمَّ أُحَرِّقَ عَلَى أَقْوَامٍ لاَ يَشْهَدُونَ الصَّلاَةَ ‏”‏ ‏
অর্থাৎ! হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আমার ইচ্ছা হয়, আমি আমার যুবকদের কাঠের স্তুপ সংগ্রহ করার নির্দেশ দেই, অতঃপর নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেই এবং ইকামাত বলা হবে (নামায শুরু হয়ে যাবে), অতঃপর যেসব লোক নামাজে উপস্থিত হয়নি তাদের (ঘরে) আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেই।
{{সুনানে তিরমিযী হাদিস নং-217,, সহীহ বুখারী হাদিস নং-2420,, সহীহ মুসলিম হাদিস নং-1514,, মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক হাদিস নং-1985,, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা হাদিস নং-3472,, মুসনাদে আহমদ হাদিস নং-10101,, সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস নং-791,, মুসনাদুস সিরাজ হাদিস নং-686,, মিশকাতুল মাসাবিঃ হাদিস নং-1053 }}
✴️ ইমাম তিরমিযী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ
অর্থাৎ! হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ بَيْنَ الْكُفْرِ وَالإِيمَانِ تَرْكُ الصَّلاَةِ ‏”‏
অর্থাৎ! হযরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ঈমান ও কুফরের ব্যবধান হল নামাজ পরিত্যাগ করা।
{{ সুনানে তিরমিযী হাদিস নং-2827,, সুনানে দারেমী হাদিস নং-1754,, তারগীব মুনযিরী খন্ড 1 পৃষ্ঠা-213 }}
عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ “‏ إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ ‏”‏
অর্থাৎ! হযরত আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হযরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াৎসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ পরিত্যাগ করা।
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-256,, মুস্তাখরাজ আবু আওয়ানা হাদিস নং-177,, সুনানে কুবরা বাইহাকী হাদিস নং-6495 }}
((উপরোক্ত দুই ব্যাখ্যায় ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, যদি কোন ব্যক্তি নামাজের অস্বিকার করে তাহলে সে কাফির বলে গণ্য হবে আর যদি নামাজকে স্বিকার করে অথচ নামাজ আদায় করে না সে ব্যক্তি ফাঁসিকে মুলিন ও গুনাহে কাবিরাকারী বলে বিবেচিত হবে))
ﻋﻦ اﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ، ﺃﻥ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ: «ﻣﻦ ﺗﺮﻙ ﺻﻼﺓ ﻟﻘﻲ اﻟﻠﻪ ﻭﻫﻮ ﻋﻠﻴﻪ ﻏﻀﺒﺎﻥ»
অর্থাৎ! হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি নামাজ পরিত্যাগ করে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাক্ষাৎ পাবে এই অবস্থায় যে আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন।
{{ মুজামে কাবীর তাবরানী হাদিস নং-11782,, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ হাদিস নং-1632,, তারগীব মুনযিরী খন্ড-1 পৃষ্ঠা-215 }}
ﻋﻦ ﺑﺮﻳﺪﺓ، ﺃﻥ اﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ: «ﻣﻦ ﺗﺮﻙ ﺻﻼﺓ اﻟﻌﺼﺮ ﻣﺘﻌﻤﺪا ﺃﺣﺒﻂ اﻟﻠﻪ ﻋﻤﻠﻪ»
অর্থাৎ! হযরত বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত আসরের নামাজ পরিত্যাগ করে আল্লাহ তাআলা তার আমল বরবাদ করে দেন।
{{ মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক খন্ড-3 পৃষ্ঠা-124 হাদিস নং-5005,, মুসনাদে আহমদ হাদিস নং-22959,, সহীহ ইবনে হিব্বান খণ্ড 4 পৃষ্ঠা 332 হাদিস নং-1470,, সুনানে কুবরা বায়হাকী হাদিস নং- 2091,, মিশকাতুল মাসাবিঃ হাদিস নং-595}}
ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ، ﺃﻥ اﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ: «ﺃﻭﻝ ﻣﺎ ﻳﺤﺎﺳﺐ ﺑﻪ اﻟﻌﺒﺪ ﻳﻮﻡ اﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﻳﺤﺎﺳﺐ ﺑﺼﻼﺗﻪ , ﻓﺈﻥ ﺻﻠﺤﺖ ﻓﻘﺪ ﺃﻓﻠﺢ ﻭﺃﻧﺠﺢ , ﻭﺇﻥ ﻓﺴﺪﺕ ﻓﻘﺪ ﺧﺎﺏ ﻭﺧﺴﺮ»
অর্থাৎ! হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, কিয়ামাতের দিন বান্দার কাজসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেয়া হবে। যদি (নিয়মিতভাবে) ঠিকমত নামাজ আদায় করা হয়ে থাকে তবে সে নাজাত পাবে এবং সফলকাম হবে। যদি নামাজ নষ্ট হয়ে থাকে তবে সে ব্যর্থ ও বিপর্যস্ত হবে।
{{ মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা হাদিস নং-36047,, সুনানে তিরমিযী হাদিস নং-415,, মুসনাদুল বাজ্জার হাদিস নং-9462,, সুনানে নাসাঈ হাদিস নং-469,, মিশকাতুল মাসাবিঃ হাদিস নং-1330 }}
ﻋﻦ ﻋﺒﺪ اﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﻋﻤﺮﻭ ﺑﻦ اﻟﻌﺎﺹ –ﺭﺿﻲ اﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ- ﻋﻦ اﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺃﻧﻪ ﺫﻛﺮ اﻝﺻﻼﺓ ﻳﻮﻣﺎ ﻓﻘﺎﻝ:
((ﺧﻤﺲ ﺻﻠﻮاﺕ ﻣﻦ ﺣﺎﻓﻆ ﻋﻠﻴﻬﻦ ﻛﺎﻧﺖ ﻟﻪ ﻧﻮﺭا ﻭﺑﺮﻫﺎﻧﺎ ﻭﻧﺠﺎﺓ ﻳﻮﻡ اﻟﻘﻴﺎﻣﺔ، ﻭﻣﻦ ﻟﻢ ﻳﺤﺎﻓﻆ ﻋﻠﻴﻬﻦ ﻟﻢ ﺗﻜﻦ ﻟﻪ ﻳﻮﻡ اﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﻧﻮﺭا ﻭﻻ ﺑﺮﻫﺎﻧﺎ، ﻭﻛﺎﻥ ﻳﻮﻡ اﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﻣﻊ ﻓﺮﻋﻮﻥ ﻭﻫﺎﻣﺎﻥ ﻭﻗﺎﺭﻭﻥ
অর্থাৎ! হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর বিন আ’স রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদা নামাজের আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের হেফাজত করবে কিয়ামতের দিন তার জন্য নূর, দলিল ও পরিত্রাণ হবে। এবং যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের হেফাজত করবে না তার জন্য কেয়ামতের দিন নূর ও দলিল হবে না বরং (তার হাশর) কেয়ামতের দিন ফেরাউন, হামান ও কারুনের সঙ্গে হবে।
{{ আত তারগীব ওয়াত তারহীব লি-ক্বিওয়াম খন্ড-2 পৃষ্ঠা-430 হাদিস নং-1933,, আস-সুন্নাহ হাদিস নং-782,, সহীহ ইবনে হিব্বান হাদিস নং-1467,, শুয়াবুল ঈমান হাদিস নং-2565,, তারগীব মুনযিরী খন্ড 1 পৃষ্ঠা 217,, মাজমাউয যাওয়াঈদ হাদিস নং-1611,,
✴️ ইমাম মুনযিরী রাহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেন-
ﺭﻭاﻩ ﺃﺣﻤﺪ ﺑﺈﺳﻨﺎﺩ ﺟﻴﺪ
অর্থাৎ! ইমাম আহমদ বিন হাম্বাল রাহমতুল্লাহ আলাইহ হাদিসটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণনা করেছেন।
ﻋﻦ ﺃﻧﺲ ﺑﻦ ﻣﺎﻟﻚ ﺭﺿﻲ اﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﻦ ﺗﺮﻙ اﻝﺻﻼﺓ ﻣﺘﻌﻤﺪا ﻓﻘﺪ ﻛﻔﺮ ﺟﻬﺎﺭا
অর্থাৎ! হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত! তিনি বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত নামাজ পরিত্যাগ করল সে প্রকাশ্য কুফরী করল।
{{ মুজামে আওসাত হাদিস নং-3348,, তারগীব মুনযিরী খন্ড-1 পৃষ্ঠা-215 হাদিস নং-816,, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ হাদিস নং-1634,,
✴️ ইমাম মূনযিরী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
ﺭﻭاﻩ اﻟﻄﺒﺮاﻧﻲ ﻓﻲ اﻷﻭﺳﻂ ﺑﺈﺳﻨﺎﺩ ﻻ ﺑﺄﺱ ﺑﻪ
অর্থাৎ! হাদিসটি ইমাম তাবরানী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি আওসাত-এ গ্রহণযোগ্য সনদে বর্ণনা করেছেন।
ﻋﻦ ﻧﻮﻓﻞ ﺑﻦ ﻣﻌﺎﻭﻳﺔ ﺭﺿﻲ اﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺃﻥ اﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﻣﻦ ﻓﺎﺗﺘﻪ ﺻﻼﺓ ﻓﻜﺄﻧﻤﺎ ﻭﺗﺮ ﺃﻫﻠﻪ ﻭﻣﺎﻟﻪ
অর্থাৎ! হযরত নৌফাল বিন মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তির নামাজ ছুটে যায় সে ব্যক্তি যেন নিজের পরিবার ও সম্পদ কে ধ্বংস করে দিল।
{{সহীহ ইবনে হিব্বান হাদিস নং-1468,, তারগীব মুনযিরী খন্ড-1 পৃষ্ঠা-218 হাদিস নং-835,, ফাতহুল বারী ইবনে রাজাব খন্ড-4 পৃষ্ঠা-305,, শুয়াবুল ঈমান হাদিস নং-2584,, সুনানে কুবরা বাইহাকী হাদিস নং-2095 }}
ﻋﻦ ﺃﻡ ﺃﻳﻤﻦ ﺃﻥ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ – ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ – ﻗﺎﻝ: ” «ﻻ ﺗﺘﺮﻙ اﻟﺼﻼﺓ ﻣﺘﻌﻤﺪا ; ﻓﺈﻧﻪ ﻣﻦ ﺗﺮﻙ اﻟﺼﻼﺓ ﻣﺘﻌﻤﺪا ﻓﻘﺪ ﺑﺮﺋﺖ ﻣﻨﻪ ﺫﻣﺔ اﻟﻠﻪ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ» “.
অর্থাৎ! হযরত উম্মে আইমান রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তুমি ইচ্ছাকৃত নামাজ পরিত্যাগ করবে না। কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত নামাজ পরিত্যাগ করে সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের হেফাজত থেকে বেরিয়ে যায়।
{{ মুসনাদ আহমাদ হাদিস নং-27364,, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ হাদিস নং-1633,, তারগীব মুনযিরী খন্ড-1 পৃষ্ঠা-216,, ফাতহুল বারী ইবনে রাজাব খন্ড-4 পৃষ্ঠা-310 }}
✴️ ইমাম হাইসামী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
ﺭﻭاﻩ ﺃﺣﻤﺪ، ﻭﺭﺟﺎﻟﻪ ﺭﺟﺎﻝ اﻟﺼﺤﻴﺢ،
অর্থাৎ! ইমাম আহমদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদিসটি বর্ণনা করেছেন যার বর্ণনাকারীগণ সহীহ।
ﻗﺎﻝ ﺃﺑﻮ اﻟﺪﺭﺩاء: ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ – ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ: ” «ﻣﻦ ﺗﺮﻙ اﻟﺼﻼﺓ ﻣﺘﻌﻤﺪا ﻓﻘﺪ ﺣﺒﻂ ﻋﻤﻠﻪ» “.
অর্থাৎ! হযরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত নামাজ পরিত্যাগ করল সে নিজ আমল বরবাদ করে দিল।
{{মাজমাউজ জাওয়ায়েদ হাদিস নং-1639,,
✴️ ইমাম হাইসামী রাহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেন-
ﺭﻭاﻩ ﺃﺣﻤﺪ، ﻭﺭﺟﺎﻟﻪ ﺭﺟﺎﻝ اﻟﺼﺤﻴﺢ.
অর্থাৎ! ইমাম আহমাদ রহমতুল্লাহি আলাইহি হাদিসটি বর্ণনা করেন যার বর্ণনাকারীগণকে বিশ্বস্ত সহীহ।
✴️ সম্মানিত মুসলিম সমাজ! উপরোল্লেখিত হাদিস সমূহ হতে প্রতীয়মান হয়, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত নামাজ পরিত্যাগ করে তার জন্য কুফর ও শির্ক করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তার প্রতি আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন রাগান্বিত থাকবেন, সে নিজের আমল সমূহকে বরবাদ করে ফেলে, সে আল্লাহ ও তার প্রিয়তমা রাসুলের হেফাজত থেকে বেরিয়ে যায়, কিয়ামতে তার হাশর হবে হামান, ফেরাউন ও কারুনের সঙ্গে এবং কিয়ামতের দিন সে ব্যর্থ ও বিপর্যস্ত হবে।
তাই যে সমস্ত ব্যক্তিরা নামাজ পরিত্যাগ করেছেন অথবা সাবালক হওয়ার অনেক দিন পর নামাজ শুরু করেছেন তাদের জন্য অপরিহার্য হল, সেই সমস্ত নামাজের কাজা আদায় করা। অতঃপর আল্লাহ তাআলার কাছে বিনয়ের সহিত তৌবা ও ইস্তেগফার করা। নচেৎ কাল কেয়ামতের মাঠে উত্তপ্ত ময়দানে কঠিন আযাবের দিনে তাকে ইচ্ছাকৃত ও অকারনে নামাজ পরিত্যাগ করার পরিনাম ভোগ করতে হবে।
🤲 আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিম ভাই-বোনদের সঠিকভাবে নামাজ কায়েম করার শক্তি প্রদান করুন! আমীন!!
💞وما توفيقي الا بالله العلي العظيم و الصلاة والسلام على حبيبه الكريم صلى الله عليه وسلم💞
⁦✍️⁩⁦মুফতী আমজাদ হোসাইন সিমনানী প্রেসিডেন্ট সুন্নি মিশন✍️⁩ পরিচালক:- সিমনানী রিসার্চ সেন্টার✍️
🌍 থানা- কুশমন্ডি, জেলা- দক্ষিন দিনাজপুর, রাজ্য- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত🌍
নোট:- কোন মসআলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের
SIMNANI RESEARCH CENTRE & HOLY-WAY TEAM

সমাজের পাশে দ্বীনের খেদমতের জন্য সব সময় আছে।*আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য-এই লিংকে ক্লিক করুন www.keyofislam.com

আমাদের Real Sunni TvHoly way ইউটিউব চ্যানেল গুলি কে  SUBSCRIBE করুন

আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply

This Post Has 2 Comments

  1. Abdullah

    Jazaakallah khaira