নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর গুণাবলী আলোচনা সংক্রান্ত মজলিস ও মাহফিল সাজানো সাহাবায়ে কেরামের সুন্নত

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর গুণাবলী আলোচনা সংক্রান্ত মজলিস ও মাহফিল সাজানো সাহাবায়ে কেরামের সুন্নত

💞☀️ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর গুণাবলী আলোচনা সংক্রান্ত মজলিস ও মাহফিল সাজানো সাহাবায়ে কেরামের সুন্নত ☀️💞

ﻋﻦ اﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ اﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ، ﻗﺎﻝ: ﺟﻠﺲ ﻧﺎﺱ ﻣﻦ ﺃﺻﺤﺎﺏ اﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﻨﺘﻈﺮﻭﻧﻪ ﻓﺨﺮﺝ ﺣﺘﻰ ﺇﺫا ﺩﻧﺎ ﻣﻨﻬﻢ، ﺳﻤﻌﻬﻢ ﻳﺘﺬاﻛﺮﻭﻥ، ﻓﺘﺴﻤﻊ ﺣﺪﻳﺜﻬﻢ، ﻓﺈﺫا ﺑﻌﻀﻬﻢ ﻳﻘﻮﻝ: ﻋﺠﺒﺎ ﺇﻥ اﻟﻠﻪ اﺗﺨﺬ ﻣﻦ ﺧﻠﻘﻪ ﺧﻠﻴﻼ ﻓﺈﺑﺮاﻫﻴﻢ ﺧﻠﻴﻠﻪ، ﻭﻗﺎﻝ ﺁﺧﺮ: ﻣﺎﺫا ﺑﺄﻋﺠﺐ ﻣﻦ {ﻭﻛﻠﻢ اﻟﻠﻪ ﻣﻮﺳﻰ ﺗﻜﻠﻴﻤﺎ} [ اﻟﻨﺴﺎء: 164] ﻭﻗﺎﻝ ﺁﺧﺮ: ﻓﻌﻴﺴﻰ ﻛﻠﻤﺔ اﻟﻠﻪ ﻭﺭﻭﺣﻪ، ﻭﻗﺎﻝ ﺁﺧﺮ: ﻭﺁﺩﻡ اﺻﻄﻔﺎﻩ اﻟﻠﻪ، ﻓﺨﺮﺝ ﻋﻠﻴﻬﻢ ﻓﺴﻠﻢ ﻭﻗﺎﻝ: «ﻗﺪ ﺳﻤﻌﺖ ﻛﻼﻣﻜﻢ ﻭﻋﺠﺒﻜﻢ، ﺃﻥ ﺇﺑﺮاﻫﻴﻢ ﺧﻠﻴﻞ اﻟﻠﻪ، ﻭﻫﻮ ﻛﺬﻟﻚ، ﻭﻣﻮﺳﻰ ﻧﺠﻴﻪ، ﻭﻫﻮ ﻛﺬﻟﻚ، ﻭﻋﻴﺴﻰ ﺭﻭﺣﻪ ﻭﻛﻠﻤﺘﻪ، ﻭﻫﻮ ﻛﺬﻟﻚ، ﻭﺁﺩﻡ اﺻﻄﻔﺎﻩ اﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ، ﻭﻫﻮ ﻛﺬﻟﻚ، ﺃﻻ ﻭﺃﻧﺎ ﺣﺒﻴﺐ اﻟﻠﻪ، ﻭﻻ ﻓﺨﺮ، ﻭﺃﻧﺎ ﺣﺎﻣﻞ ﻟﻮاء اﻟﺤﻤﺪ ﻳﻮﻡ اﻟﻘﻴﺎﻣﺔ، ﻭﻻ ﻓﺨﺮ، ﻭﺃﻧﺎ ﺃﻭﻝ ﺷﺎﻓﻊ، ﻭﺃﻭﻝ ﻣﺸﻔﻊ ﻳﻮﻡ اﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﻭﻻ ﻓﺨﺮ، ﻭﺃﻧﺎ ﺃﻭﻝ ﻣﻦ ﻳﺤﺮﻙ ﺑﺤﻠﻖ اﻟﺠﻨﺔ ﻭﻻ ﻓﺨﺮ، ﻓﻴﻔﺘﺢ اﻟﻠﻪ ﻓﻴﺪﺧﻠﻨﻴﻬﺎ ﻭﻣﻌﻲ ﻓﻘﺮاء اﻟﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻭﻻ ﻓﺨﺮ، ﻭﺃﻧﺎ ﺃﻛﺮﻡ اﻷﻭﻟﻴﻦ ﻭاﻵﺧﺮﻳﻦ ﻋﻠﻰ اﻟﻠﻪ، ﻭﻻ ﻓﺨﺮ»
অর্থাৎ! ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবী তার প্রতীক্ষায় বসে ছিলেন। রাবী বলেন, তিনি বের হয়ে তাদের নিকট এসে তাদের কথাবার্তা শুনলেন। তাদের কেউ বললেন, বিস্ময়ের বিষয়! আল্লাহ তা’আলা তার সৃষ্টিকুলের মধ্য হতে (একজনকে) নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানিয়েছেন। তিনি ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-কে নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানিয়েছেন। আরেকজন বললেন, এর চেয়ে বিস্ময়ের ব্যাপার হলঃ মূসা আলাইহিস সালাম-এর সাথে তার সরাসরি কথাবার্তা। আরেকজন বললেন, ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর কালিমা (“কুন” (হও) দ্বারা সৃষ্ট) এবং তার দেয়া রূহ। আরেকজন বললেন, আদম আলাইহিস সালাম-কে আল্লাহ তা’আলা পছন্দ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকটে বের হয়ে তাদেরকে সালাম করে বললেনঃ আমি তোমাদের কথাবার্তা ও তোমাদের বিস্ময়ের ব্যাপারটা শুনেছি।
নিশ্চয় ইবরাহীম আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা’আলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সত্যিই তিনি তাই। মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা’আলার সাথে বাক্যালাপকারী, সত্যিই তিনি তাই। ঈসা আলাইহিস সালাম তার রূহ ও কালিমা, সত্যিই তিনি তাই। আর আদম আলাইহিস সালাম-কে আল্লাহ তা’আলা পছন্দ করেছেন, সত্যিই তিনিও তাই। কিন্তু আমি আল্লাহ্ তা’আলার হাবীব (প্রিয় বন্ধু), তাতে কোন গর্ব নেই। কিয়ামাত দিবসে আমিই হব প্রশংসার পতাকা বহনকারী তাতে কোন গর্ব নেই। কিয়ামাতের দিন আমিই সর্বপ্রথম শাফাআতকারী এবং সর্ব প্রথমে আমার শাফাআতই কুবুল হবে, তাতেও কোন গর্ব নেই। সর্ব প্রথমে আমিই জান্নাতের (দরজার) কড়া নাড়ব। সুতরাং আল্লাহ তা’আলা আমার জন্য তার দরজা খুলে দিবেন, আমাকেই সর্বপ্রথম জান্নাতে পাঠাবেন এবং আমার সাথে থাকবে গারীব মুমিনগণও, এতেও গর্বের কিছু নেই। আমি আগে ও পরের সকল লোকের মধ্যে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন ও সম্মানিত, এতেও গর্বের কিছু নেই।
{{ সুনানে দারেমী খন্ড 1 পৃষ্ঠা-194 }}
{{ সুনানে তিরমিযী হাদিস নং
{{ শারহুস সুন্নাহ খন্ড-13 পৃষ্ঠা-204 }}
{{ জামেউল আহাদিস হাদিস নং-6324 }}
عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ خَرَجَ أَبُو طَالِبٍ إِلَى الشَّامِ وَخَرَجَ مَعَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي أَشْيَاخٍ مِنْ قُرَيْشٍ فَلَمَّا أَشْرَفُوا عَلَى الرَّاهِبِ هَبَطُوا فَحَلُّوا رِحَالَهُمْ فَخَرَجَ إِلَيْهِمُ الرَّاهِبُ وَكَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ يَمُرُّونَ بِهِ فَلاَ يَخْرُجُ إِلَيْهِمْ وَلاَ يَلْتَفِتُ ‏.‏ قَالَ فَهُمْ يَحُلُّونَ رِحَالَهُمْ فَجَعَلَ يَتَخَلَّلُهُمُ الرَّاهِبُ حَتَّى جَاءَ فَأَخَذَ بِيَدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ هَذَا سَيِّدُ الْعَالَمِينَ هَذَا رَسُولُ رَبِّ الْعَالَمِينَ يَبْعَثُهُ اللَّهُ رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ أَشْيَاخٌ مِنْ قُرَيْشٍ مَا عِلْمُكَ فَقَالَ إِنَّكُمْ حِينَ أَشْرَفْتُمْ مِنَ الْعَقَبَةِ لَمْ يَبْقَ شَجَرٌ وَلاَ حَجَرٌ إِلاَّ خَرَّ سَاجِدًا وَلاَ يَسْجُدَانِ إِلاَّ لِنَبِيٍّ وَإِنِّي أَعْرِفُهُ بِخَاتَمِ النُّبُوَّةِ أَسْفَلَ مِنْ غُضْرُوفِ كَتِفِهِ مِثْلَ التُّفَّاحَةِ ‏.‏ ثُمَّ رَجَعَ فَصَنَعَ لَهُمْ طَعَامًا فَلَمَّا أَتَاهُمْ بِهِ وَكَانَ هُوَ فِي رِعْيَةِ الإِبِلِ قَالَ أَرْسِلُوا إِلَيْهِ فَأَقْبَلَ وَعَلَيْهِ غَمَامَةٌ تُظِلُّهُ فَلَمَّا دَنَا مِنَ الْقَوْمِ وَجَدَهُمْ قَدْ سَبَقُوهُ إِلَى فَىْءِ الشَّجَرَةِ فَلَمَّا جَلَسَ مَالَ فَىْءُ الشَّجَرَةِ عَلَيْهِ فَقَالَ انْظُرُوا إِلَى فَىْءِ الشَّجَرَةِ مَالَ عَلَيْهِ ‏.‏ قَالَ فَبَيْنَمَا هُوَ قَائِمٌ عَلَيْهِمْ وَهُوَ يُنَاشِدُهُمْ أَنْ لاَ يَذْهَبُوا بِهِ إِلَى الرُّومِ فَإِنَّ الرُّومَ إِذَا رَأَوْهُ عَرَفُوهُ بِالصِّفَةِ فَيَقْتُلُونَهُ فَالْتَفَتَ فَإِذَا بِسَبْعَةٍ قَدْ أَقْبَلُوا مِنَ الرُّومِ فَاسْتَقْبَلَهُمْ فَقَالَ مَا جَاءَ بِكُمْ قَالُوا جِئْنَا أَنَّ هَذَا النَّبِيَّ خَارِجٌ فِي هَذَا الشَّهْرِ فَلَمْ يَبْقَ طَرِيقٌ إِلاَّ بُعِثَ إِلَيْهِ بِأُنَاسٍ وَإِنَّا قَدْ أُخْبِرْنَا خَبَرَهُ بُعِثْنَا إِلَى طَرِيقِكَ هَذَا فَقَالَ هَلْ خَلْفَكُمْ أَحَدٌ هُوَ خَيْرٌ مِنْكُمْ قَالُوا إِنَّمَا أُخْبِرْنَا خَبَرَهُ بِطَرِيقِكَ هَذَا ‏.‏ قَالَ أَفَرَأَيْتُمْ أَمْرًا أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَقْضِيَهُ هَلْ يَسْتَطِيعُ أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ رَدَّهُ قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ فَبَايَعُوهُ وَأَقَامُوا مَعَهُ قَالَ أَنْشُدُكُمُ اللَّهَ أَيُّكُمْ وَلِيُّهُ قَالُوا أَبُو طَالِبٍ فَلَمْ يَزَلْ يُنَاشِدُهُ حَتَّى رَدَّهُ أَبُو طَالِبٍ وَبَعَثَ مَعَهُ أَبُو بَكْرٍ بِلاَلاً وَزَوَّدَهُ الرَّاهِبُ مِنَ الْكَعْكِ وَالزَّيْتِ ‏.‏ ‏.‏
অর্থাৎ!! আবূ মূসা আল-আশ’আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ কিছু প্রবীণ কুরাইশসহ আবূ তালিব (ব্যবসার উদ্দেশে) সিরিয়ার দিকে রওয়ানা হলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে রওয়ানা হন। তারা (বুহাইরাহ) পাদ্রীর নিকট পৌছে তাদের নিজেদের সওয়ারী থেকে মালপত্র নামাতে থাকে, তখন উক্ত পাদ্রী (গীর্জা থেকে বেরিয়ে) তাদের নিকটে এলেন। অথচ এ কাফিলা এর আগে অনেকবার এখান দিয়ে চলাচল করেছে কিন্তু তিনি কখনও তাদের নিকট (গীর্জা) বেরিয়ে আসেননি বা তাদের প্রতি ভ্রুক্ষেপও করেননি। রাবী বলেন, লোকেরা তাদের বাহন থেকে সামানপত্র নামাতে ব্যস্ত থাকাবস্থায় উক্ত পাদ্ৰী তাদের ভেতরে ঢোকেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাত ধরে বলেন, ইনি “সাইয়্যিদুল আলামীন” (বিশ্ববাসীর নেতা), ইনি রাসূল রাব্বিল আলামীন (বিশ্ববাসীর প্রতিপালকের রাসূল) এবং আল্লাহ তা’আলা তাকে রহমাতুল্লিল আলামীন করে (বিশ্ববাসীর জন্য করুণা স্বরূপ) পাঠাবেন।
তখন কুরাইশদের বৃদ্ধ লোকেরা তাকে প্রশ্ন করে, কে আপনাকে জানিয়েছে? তিনি বলেন, যখন তোমরা এ উপত্যকা হতে নামছিলে, (তখন আমি লক্ষ্য করেছি যে,) প্রতিটি গাছ ও পাথর সিজদায় লুটিয়ে পড়ছে। এই দুটি নাবী ব্যতীত অন্য কোন সৃষ্টিকে সাজদাহ করে না। এতদভিন্ন তার ঘারের নীচে আপেল সদৃশ গোলাকার মোহরে নবুওয়াতের সাহায্যে আমি তাকে চিনেছি। খাদ্যদ্রব্যসহ যখন তাদের নিকটে এলেন তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পাল চরাতে গিয়েছিলেন। পাদ্রী বলেন, তোমরা তাকে ডেকে আনার ব্যবস্থা কর। অতএব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে এলেন, তখন একখণ্ড মেঘ তার উপর ছায়া বিস্তার করেছিল এবং কাফিলার লোকেরা যারা তার পূর্বেই এসেছিল তাদেরকে তিনি গাছের ছায়ায় বসা অবস্থায় পেলেন।
তিনি বসলে গাছের ছায়া তার দিকে ঝুকে পড়ে। পাদ্রি বলেন, তোমরা গাছের ছায়ার দিকে লক্ষ্য কর, ছায়াটি তার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। রাবী বলেন, ইত্যবসরে পাদ্রী তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে তাদেরকে শপথ দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা তাকে নিয়ে রোম সাম্রাজ্যে যেও না। কেননা রূমীয়রা যদি তাকে দেখে তাহলে তাকে চিহ্নগুলোর দ্বারা সনাক্ত করে ফেলবে এবং তাকে মেরে ফেলবে। এমতাবস্থায় পাদ্রী লক্ষ্য করেন যে, রূমের সাতজন লোক তাদের দিকে আসছে। পাদ্রী তাদের দিকে অগ্রসর হয়ে প্রশ্ন করেন, তোমরা কেন এসেছ? তারা বলে, এ মাসে আখিরী যামানার নাবীর আগমন ঘটবে। তাই চলাচলের প্রতিটি রাস্তায় লোক পাঠানো হয়েছে, তাই আমাদেরকে আপনাদের পথে পাঠানো হয়েছে।
পাদ্রী রোমীয় নাগরিকদের প্রশ্ন করেন, তোমাদের পেছনে তোমাদের চেয়েও ভাল কোন ব্যক্তি আছে কি (কোন পাদ্রী তোমাদেরকে এই নাবীর সংবাদ দিয়েছ কি)? তারা বলল, আপনার এ রাস্তায়ই আমাদেরকে ঐ নাবীর আসার খরব দেয়া হয়েছে। পাদ্রী বলেন, তোমাদের কি মত, আল্লাহ তা’আলা যদি কোন কাজ কারার ইচ্ছা করেন তবে কোন মানুষের পক্ষে তা প্রতিহত করা কি সম্ভব? তারা বলল, না (অর্থাৎ শেষ যামানার নাবীর আগমন ঘটবেই, কোন মানুষ তা ঠেকাতে পারবে না)।
রাবী বলেন, তারপর তারা তার নিকট আনুগত্যের শপথ করে এবং তার সাহচর্য অবলম্বন করে। তারপর পাদ্রী (কুরাইশ কাফিলাকে) আল্লাহর নামে শপথ করে প্রশ্ন করেন, তোমাদের মধ্যে কে তার অভিভাবক? লোকেরা বলল, আবূ তালিব। পাদ্রী আবূ তালিবকে অবিরতভাবে আল্লাহ তা’আলার নামে শপথ করে তাকে স্বদেশে ফেরত পাঠাতে বলতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত আবূ তালিব নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (মক্কায়) ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ও বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে তার সাথে দেন। আর পাদ্রী তাকে পাথেয় হিসেবে কিছু রুটি ও যাইতুনের তৈল দেন।
{{ সুনানে তিরমিযী হাদিস নং-3980 }}
{{ মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা হাদিস-36541}}
{{ আল মুসতাদরাক হাকিম হাদিস নং- 4229 }}
{{ দালায়েলুন নবুওয়াত আবু নুঈম 1/170 }}
{{ মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস নং-5918 }}
{{ খাসাইসে কুবরা 1/141-142 }}
((✳️ ইমাম তিরমিজি রাহমাতুল্লাহ আলাইহি এই হাদিস প্রসঙ্গে এরশাদ করেন-
هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ
অর্থাৎ-এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সনদসূত্রে এ হাদীস জেনেছি।
✳️ ইমাম হাকিম রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু মুস্তাদরাক গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করার পর এরশাদ করেন-
ﻫﺬا ﺣﺪﻳﺚ ﺻﺤﻴﺢ ﻋﻠﻰ ﺷﺮﻁ اﻟﺸﻴﺨﻴﻦ ﻭﻟﻢ ﻳﺨﺮﺟﺎﻩ
অর্থাৎ! হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।
✳️ ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি হাদীসটি প্রসঙ্গে এরশাদ করেন-
ﻗﻠﺖ ﻭﻟﻬﺎ ﺷﻮاﻫﺪ ﻋﺪﺓ ﺳﺄﻭﺭﺩﻫﺎ ﺗﻘﻀﻲ ﺑﺼﺤﺘﻬﺎ
অর্থাৎ হাদীসটির বহু শাওয়াহিদ বিদ্যমান যার ফলে আজিজ টি সহীহ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ))
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সমস্ত মুসলিম ভাই বোনদের নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর জন্ম ও মর্যাদা সংক্রান্ত আলোচনার মাহফিল সাজানোর শক্তি প্রদান করুন! আমীন!!!!
💖وما توفيقي الا بالله العلي العظيم و الصلاة والسلام على حبيبه الكريم صلى الله عليه وسلم💖
✍️মুফতী আমজাদ হুসাইন সিমনানী, পরিচালক সিমনানী রিসার্চ সেন্টার✍️
🌍 থানা- কুশমন্ডি, জেলা- দক্ষিন দিনাজপুর, রাজ্য- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত 🌍
নোট:- কোন মসআলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের
SIMNANI RESEARCH CENTRE & HOLY-WAY TEAM

সমাজের পাশে দ্বীনের খেদমতের জন্য সব সময় আছে।*আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য-এই লিংকে ক্লিক করুন www.keyofislam.com

আমাদের Real Sunni TvHoly way ইউটিউব চ্যানেল গুলি কে  SUBSCRIBE করুন

আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply

This Post Has 5 Comments

  1. Kaneez

    Good one

  2. Amjad husain

    Jazaakallah khaira for uploading this post

  3. Humayun k

    Important topic 👍

  4. Noor Alam qadri

    Nice post

  5. Noor Alam qadri

    Go ahead always keyofislam