প্রেম ও ভালোবাসা করে বিয়ে করা বৈধ কিনা?

প্রেম ও ভালোবাসা করে বিয়ে করা বৈধ কিনা?

প্রেম ও ভালোবাসা করে বিয়ে করা বৈধ কিনা?

       💫بسم الله الرحمن الرحيم💫
💗نحمده تبارك و تعالي و نصلي ونسلم على حبيبه الاعلى أما بعد-💗
✴️ সম্মানিত পাঠকবৃন্দ। প্রেম ও ভালোবাসা করে বিয়ে করার সাধারণত দুইটা অর্থ হয়।
প্রথম:- কোন মহিলার প্রতি অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত হওয়ার পর সেই মহিলা পছন্দ হয়ে যাওয়া এবং পছন্দ হওয়ার পরে তাকে অথবা তার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব প্রেরণ করা এবং প্রস্তাব গ্রহণের পর সেই পছন্দনীয়, প্রেমময়ী ও ভালোবাসার পাত্রী কে বিয়ে করে নেওয়া।
দ্বিতীয়:- ইচ্ছাকৃত কোন মহিলাকে দেখে তাকে প্রথমে নিজের দিকে আকৃষ্ট করা, নিজের প্রেম ও ভালোবাসা প্রকাশ করা এবং কয়েক বছর অথবা কয়েক মাস ধরে তার সঙ্গে অবৈধ এবং নাজায়েজ কর্ম যেমন পার্কে যাওয়া, রাত্রি জাগরন করে ফোন আলাপ করা, তার সঙ্গে ফেসবুক ও টুইটারে চ্যাটিং করা, কোথাও মিট করে কথোপকথন করা, রাতের অন্ধকারে কোথাও একত্রিত হওয়া, তাকে নিয়ে সিনেমা হল যাওয়া, তাকে নিয়ে সুইমিং পুল এ যাওয়া ইত্যাদি কর্ম সম্পাদন করা। অতঃপর তাকে বিয়ে করা।
✴️সম্মানিত পাঠকবৃন্দ! প্রেম ও ভালোবাসা করে বিবাহ করার অর্থ যদি প্রথমটা নেওয়া হয় তাহলে আমি বলব, এটা কোরআন ও হাদিসের আলোকে জায়েজ এবং বৈধ রয়েছে। কারণ আল্লাহ তা’আলা কুরআন মাজীদে এরশাদ করেন-
“فَانۡکِحُوۡا مَا طَابَ لَکُمۡ مِّنَ النِّسَآءِ”
অর্থাৎ! তবে বিবাহ     করে  নাও  যেসব  নারী   তোমাদের  ভালো  লাগে।
{{ সূরা নিসা আয়াত নং-3 }}
✴️উক্ত আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, আল্লাহ তা’আলা সেই সব নারীকে বিয়ে করতে বলেছেন যে নারী আপনার হৃদয় কে স্পর্শ করেছে, যে নারীর প্রতি আপনি আকৃষ্ট হয়েছেন, যে নারীকে দেখে আপনাকে ভালো লেগেছে আর এটাই হল, প্রকৃত ও একচুয়াল প্রেম ও ভালোবাসা। আর এই ভালোবাসা ও প্রেম হলে আল্লাহ তা’য়ালা এরশাদ করেন তুমি তাকে বিবাহ করে নাও। অতএব পছন্দ ও কাউকে ভালোবেসে বিয়ে করাটা অপরাধ নয়, অপরাধ হলো সেই ভালোবাসা ও প্রেম কে নাজায়েজ ও অবৈধ কর্মের সঙ্গে যুক্ত করা।
তাছাড়া হাদিস শরিফে মধ্যেও নবী কারীম সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-তোমরা বিয়ে করার পূর্বে যাকে বিয়ে করবে তাকে একবার হলেও দেখে নাও।
যেমন-
عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، أَنَّهُ خَطَبَ امْرَأَةً فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏”‏ انْظُرْ إِلَيْهَا فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا ‏
অর্থাৎ! মুগীরা ইবনু শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি এক মহিলার নিকট বিয়ের প্রস্তাব প্রেরণ করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে দেখে নাও, তোমাদের মধ্যে এটা ভালবাসার সৃষ্টি করবে।
{{ সুনানে তিরমিযী ))
{{ সুনানে দারেমী হাদিস নং-২২১১. }}
عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ قَالَ خَطَبْتُ امْرَأَةً فَجَعَلْتُ أَتَخَبَّأُ لَهَا حَتَّى نَظَرْتُ إِلَيْهَا فِي نَخْلٍ لَهَا فَقِيلَ لَهُ أَتَفْعَلُ هَذَا وَأَنْتَ صَاحِبُ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا أَلْقَى اللهُ فِي قَلْبِ امْرِئٍ خِطْبَةَ امْرَأَةٍ فَلَا بَأْسَ أَنْ يَنْظُرَ إِلَيْهَا
অর্থাৎ!! মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক মহিলাকে বিবাহের পয়গাম পাঠালাম। আমি তাকে দেখার জন্য চুপিসারে তার বাগানে যাতায়াত করতাম এবং সেখানে তাকে দেখে ফেললাম। তাকে বলা হলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সহাবী হয়ে তুমি এই কাজ করলে? তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যখন আল্লাহ্ কারো অন্তরে কোন মহিলাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দানের আগ্রহ পয়দা করেন, তখন তাকে দেখে নেয়াতে দোষের কিছু নেই। 
{{ সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস নং-1937,,
মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা হাদিস নং-17390,,
সুনানে কুবরা বাইহাকী হাদিস নং- 13491,,
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا خَطَبَ أَحَدُكُمُ الْمَرْأَةَ فَإِنِ اسْتَطَاعَ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى مَا يَدْعُوهُ إِلَى نِكَاحِهَا فَلْيَفْعَلْ
অর্থাৎ!! জাবির  ইবন  আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু  হতে বর্ণিত।  তিনি বলেন, রাসূল  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  ইরশাদ  করেছেন,  তোমাদের  কেউ  যখন  কোন  স্ত্রীলোককে  বিবাহের  উদ্দেশ্যে  পয়গাম  পাঠাবে,  তখন  যদি  তার  পক্ষে  সম্ভব  হয়,  তবে  সে  যেন তার  বংশ,  মাল  ও  সৌন্দর্য  ইত্যাদি  দর্শন  করে,  যা  তাকে  বিবাহে  উৎসাহ  দেয়।
{{ সুনান আবু দাউদ হাদিস নং 2084,,
মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা হাদিস নং-17389,,
সুনান কুবরা বায়হাকী হাদিস নং-13487,,
✴️উপরোক্ত হাদিসসমূহ থেকে স্পষ্টতই প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ তা’আলার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিয়ে করার আগে কন্যাকে একবার হলেও দেখে নিতে বলেছেন। তার কারণটি হলো, বিয়ের আগে যদি কন্যাকে দেখে নেওয়া হয় তাহলে, তাদের মধ্যে ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং বিয়ের পাত্রী পছন্দনীয় ও হৃদয় কে স্পর্শ কারী যেন হয় তার জন্যই দেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অতএব উক্ত অর্থে যদি প্রেম করে বিয়ে করা কে ব্যবহৃত করা হয় তাহলে, তা জায়েয এবং বৈধ থাকবে এটা নাজায়েজ হওয়ার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
✴️আর যদি প্রেম করে বিয়ে করার দ্বিতীয় অর্থটা নেওয়া হয়, তাহলে সেই প্রসঙ্গে আমি বলব, এই অর্থেও যদিও বিয়েটা বৈধ হবে, তবে বিয়ের আগে যে সমস্ত কর্ম ও কাজ করেছে সেই সমস্ত কর্ম অবৈধ, হারাম ও গুনাহে কবিরা বলে গণ্য হবে। এই ধরনের অবৈধ ভালবাসা ও প্রেমকে ইসলাম সমর্থন করে না। কোরআন ও হাদিসের আলোকে এই ধরনের প্রেম ও ভালোবাসা হল নাজায়েজ, অবৈধ ও হারাম। কারণ ইসলাম শরীয়ত অনুযায়ী কোন মহিলার প্রতি যদি অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত পড়ে যায় তাহলে তার হুকুম হলো- সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিকে ফিরিয়ে নেওয়া। ইচ্ছাকৃত কোন মহিলার প্রতি দৃষ্টিপাত করাও হল হারাম ও গুনাহের কাজ। যা নিম্নোক্ত হাদিস থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়-
عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نَظْرَةِ الْفَجْأَةِ؟ فَقَالَ: اصْرِفْ بَصَرَكَ (صحيح)
অর্থাৎ!! জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হঠাৎ কোনো নারীর প্রতি দৃষ্টি পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমার চোখ ফিরিয়ে নিবে।
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-«2150 }}
عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِيٍّ: يَا عَلِيُّ لَا تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ، فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ (حسن)
অর্থাৎ! ইবনু বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু-কে বললেনঃ হে আলী! কোনো নারীকে (অনিচ্ছাকৃত) একবার দেখার পর দ্বিতীয়বার (ইচ্ছাকৃত) দেখবে না। কেননা তোমার জন্য প্রথমবার দেখার অনুমতি আছে, কিন্তু দ্বিতীয়বার জায়িয নয়।
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-«2151 }}
✴️অন্যত্রে নবী পাক সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
« فَزِنَا الْعَيْنَيْنِ النَّظَرُ”
অর্থাৎ! চোখের জেনা হলো কোন মহিলার প্রতি কুদৃষ্টিপাত করা।
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-2154 }}
✴️আর বর্তমান যেই বিষয়টি প্রেম ও ভালবাসা নামে পরিচিত এই প্রেম ও ভালবাসায় শুধু ইচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাত নয় বরং এই প্রেম ও ভালোবাসায় অনেক কুকর্ম ও নোংরা আচরণ মিশ্রিত আছে। এই ধরনের প্রেমিক ও প্রেমিকা অনেক রকম খারাপ কর্ম ও গুনাহের কাজে লিপ্ত থাকে, এরা গোটা গোটা রাত্রি ফোনালাপ করে অতিবাহিত করে, পার্কে গিয়ে নানান রকম অবৈধ কাম সম্পন্ন করে, ফেসবুক ও টুইটারে নোংরা চ্যাটিং ও প্রেমালাপ করাটা এদের জন্য খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে যায়। কোন হোটেলে গিয়ে রাত্রি যাপন করা তাদের জন্য খুব খুশির বিষয় হয়ে যায়। বাবা-মাকে ফাঁকি দিয়ে প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া অতি সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়ে যায়। এরাই স্কুল-কলেজ কে ফাঁকি দিয়ে পার্কে গিয়ে ক্ষণস্থায়ী আনন্দ উপভোগ করার জন্য সময় অতিবাহিত করে। বর্তমান সিনেমা হলগুলো এই ধরনের প্রেমিক-প্রেমিকাদের জেনার আড্ডায় পরিণত হয়েছে। আপনি ভাবতেই পারবেন না যে, এই ধরনের ছেলে ও মেয়েরা কত নোংরা ও গুনাহের কাজে লিপ্ত। যাইহোক বলার উদ্দেশ্য হলো, দ্বিতীয় অর্থে যদিও বিবাহ সম্পাদন হয়ে যাবে তথাপি বিয়ের পূর্বে প্রেম ও ভালোবাসার নামে যে সমস্ত নাজায়েজ, অবৈধ, নোংরা ও হারাম কর্ম তারা করেছে তা মাফ করে দেওয়া হবে না। বরং সেই সমস্ত কু কর্মের কারণে তাদেরকে জাহান্নামে জ্বলতে হবে, কবরে সেই সমস্ত কর্মের শাস্তি ভোগ করতে হবে। কাল কেয়ামতের মাঠে উত্তপ্ত ময়দানে কঠিন আজাবে দিনে তাদেরকে হায় আফসোস হায় আফসোস করতে হবে। হাশরে যেনা, ব্যভিচার ও তাদের সেই অপকর্মের কারণে কঠিন থেকে কঠিন আজাব উপভোগ করতে হবে। তাদের কুকর্মের জন্য জাহান্নামের আজাব ও শাস্তি তাদেরকে নিতে হবে। তাদের সেই সমস্ত গুনাহের ফল তাদেরকে ভোগ করতেই হবে।
✴️যুবসমাজের কাছে আমার বিনীত আবেদন! আপনারা নিজের সেই সমস্ত কুকর্ম ও নোংরা কাজ থেকে ফিরে আসুন। প্রেম ভালোবাসার নামে যেনা ও ব্যভিচার করা বন্ধ করুন। প্রেমিক বা প্রেমিকার কারণে পিতামাতাকে কষ্ট দেওয়া এবং ফাঁকি দেওয়া বন্ধ করুন। এখনো সময় আছে আল্লাহর দরবারে বিনয়ের সহিত সেই সমস্ত কুকর্ম থেকে তওবা ও ইস্তেগফার করুন এবং ইসলামের আলোয় আলোকিত হয়ে যান। নবী পাক সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর আনুগত্য ও অনুসরণ করে একচুয়াল ও আসল প্রেম ও ভালোবাসার আনন্দ উপভোগ করুন।
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সমস্ত মুসলিম যুবক ও যুবতীদের এ ধরনের নাজায়েজ ও অবৈধ প্রেম ও ভালোবাসা থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন! আমিন বি-জাহি সাইয়েদিল মুরসালীন আলাইহিস্ব স্বালাতু ওয়াত তাসলীম ।।
✍️মুফতী আমজাদ হুসাইন সিমনানী, প্রেসিডেন্ট সুন্নি মিশন✍️
🌍 থানা- কুশমন্ডি, জেলা- দক্ষিন দিনাজপুর, রাজ্য- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত 🌍
                     🌻অভিমান 🌻
আজিজে মিল্লাত হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতী আব্দুল আজিজ কালিমী সাহেব~
بسم الله الرحمن الرحيم
نحمده ونصلى على رسوله الكريم.
পশ্চিম বঙ্গের স্বনামধন্য ইসলামিক গবেষক, সমাজ সংস্কারক, নির্ভরশীল মুফতী হযরত আল্লামা মুফতী আমজাদ হোসেন সিমনানী সাহেব – এর লিখিত পোস্ট “প্রেম করে বিয়ে করা বৈধ কিনা?” আমি পাঠ করলাম; উপস্থিত যুগের জন্য উক্ত পোস্টটি খুবই প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহ! তুমি উক্ত পরিশ্রম গ্রহণ করে লেখকের জীবন ধন্য করুন। আমীন
ইতি
আব্দুল আযীয কালিমী
ইমামঃ পাঁচতলা জামে মসজিদ, কালিয়াচক, মালদা, পঃবঃ ভারত
নোট:- কোন মসআলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের
SIMNANI RESEARCH CENTRE & HOLY-WAY TEAM

সমাজের পাশে দ্বীনের খেদমতের জন্য সব সময় আছে।*আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য-এই লিংকে ক্লিক করুন www.keyofislam.com

আমাদের Real Sunni TvHoly way ইউটিউব চ্যানেল গুলি কে  SUBSCRIBE করুন
আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply

This Post Has 7 Comments

  1. Abdullah

    Jazaakallah khaira

  2. Kaneez

    Important topic for youngsters.

  3. Humayun k

    Very good and important topic 👍👍

  4. Anonymous

    অসাধারণ আলোচনা।

  5. Simna

    Very good enough informative message to all youngsters. I would like to request all of young stars to read it carefully and act upon on this message.

  6. Md Mahafuz Alam

    I am impressed. May Allah save us from this sinful deed. Hope your befitting writings will convert the young society into right path of Islam.

  7. Samizuddin

    খুব ভাল লাগল আপনার এই লেখাটা