শুক্রবার অথবা জুমার দিন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

শুক্রবার অথবা জুমার দিন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

শুক্রবার অথবা জুমার দিন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

সম্মানিত পাঠক! বহু হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়েছে যে, জুমার দিন ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর অপেক্ষাও উত্তম। কিন্তু কেন? আসুন একটু বিস্তারিত আলোচনা করি-👇
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ((خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ أُدْخِلَ الْجَنَّةَ وَفِيهِ أُخْرِجَ مِنْهَا وَلاَ تَقُومُ السَّاعَةُ إِلاَّ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ)).
অর্থাৎ! আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমুআর দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদাম আলাইহিস সালাম কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিন সেখান থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়েছে, জুমুআর দিনই কিয়ামাত সংঘটিত হবে।
{{ সহীহ মুসলিম হাদীস নং-«2014»
{{ সুনানে তিরমিজি হাদিস নং-490 }}
((হাদীসটি বিভিন্ন প্রামাণ্য হাদিস গ্রন্থে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে))
أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ((خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ أُدْخِلَ الْجَنَّةَ وَفِيهِ أُخْرِجَ مِنْهَا)).
অর্থাৎ! আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমুআর দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদাম আলাইহিস সালাম-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাকে জান্নাতে দাখিল করা হয়েছে এবং এ দিন তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেয়া হয়।
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-«2013»
{{ সোনার নাসাঈ হাদিস নং-1384 }}
(( উক্ত হাদীসটি একাধিক গ্রন্থে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে))
عَنْ أَبِي لُبَابَةَ بْنِ عَبْدِ الْمُنْذِرِ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ((إِنَّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ سَيِّدُ الأَيَّامِ وَأَعْظَمُهَا عِنْدَ اللَّهِ وَهُوَ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ فِيهِ خَمْسُ خِلاَلٍ خَلَقَ اللَّهُ فِيهِ آدَمَ وَأَهْبَطَ اللَّهُ فِيهِ آدَمَ إِلَى الأَرْضِ وَفِيهِ تَوَفَّى اللَّهُ آدَمَ وَفِيهِ سَاعَةٌ لاَ يَسْأَلُ اللَّهَ فِيهَا الْعَبْدُ شَيْئًا إِلاَّ أَعْطَاهُ مَا لَمْ يَسْأَلْ حَرَامًا وَفِيهِ تَقُومُ السَّاعَةُ مَا مِنْ مَلَكٍ مُقَرَّبٍ وَلاَ سَمَاءٍ وَلاَ أَرْضٍ وَلاَ رِيَاحٍ وَلاَ جِبَالٍ وَلاَ بَحْرٍ إِلاَّ وَهُنَّ يُشْفِقْنَ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ)).
অর্থাৎ! আবূ লুবাবা ইবনু আবদুল মুনযির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমুআহর দিন হলো দিনসমূহের নেতা এবং তা আল্লাহ্‌র নিকট অধিক সম্মানিত। এ দিনটি আল্লাহ্‌র নিকট কুরবানীর দিন ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়ে অধিক সম্মানিত। এ দিনে রয়েছে পাঁচটি বৈশিষ্ট্যঃ এ দিন আল্লাহ আদম (আলাইহিস সালাম) কে সৃষ্টি করেন, এ দিনই আল্লাহ তাঁকে পৃথিবীতে পাঠান এবং এ দিনই আল্লাহ তাঁর মৃত্যু দান করেন। এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, কোন বান্দা তখন আল্লাহ্‌র নিকট কিছু প্রার্থনা করলে তিনি তাকে তা দান করেন, যদি না সে হারাম জিনিসের প্রার্থনা করে এবং এ দিনই ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে। নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ, আসমান-যমীন, বায়ু, পাহাড়-পর্বত ও সমুদ্র সবই জুমুআহর দিন শংকিত হয়।
{{ সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস নং,«1137»
(( হাদীসটি হাসান সনদে বর্ণিত হয়েছে))
عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ((إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَّامِكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ النَّفْخَةُ وَفِيهِ الصَّعْقَةُ فَأَكْثِرُوا عَلَيَّ مِنَ الصَّلاَةِ فِيهِ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ مَعْرُوضَةٌ عَلَيَّ)). فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تُعْرَضُ صَلاَتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرَمْتَ- يَعْنِي بَلِيتَ-. فَقَالَ: ((إِنَّ اللَّهَ قَدْ حَرَّمَ عَلَى الأَرْضِ أَنْ تَأْكُلَ أَجْسَادَ الأَنْبِيَاءِ)).
অর্থাৎ!শাদ্দাদ ইবনু আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের সর্বোত্তম দিন হলো জুমুআহর দিন। এ দিন আদম (আলাইহিস সালাম) কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে এবং তাতে বিকট শব্দ হবে। অতএব তোমরা এ দিন আমার উপর প্রচুর পরিমাণে দুরূদ পাঠ করো। তোমাদের দুরূদ অবশ্যই আমার নিকট পেশ করা হয়। এক ব্যক্তি বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! কিভাবে আমাদের দুরূদ আপনার নিকট পেশ করা হবে, অথচ আপনি তো অচিরেই মাটির সাথে একাকার হয়ে যাবেন? তিনি বলেনঃ আল্লাহ নাবীগণের দেহ ভক্ষণ মাটির জন্য হারাম করেছেন।
{{ সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস নং-«1138»
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-«1049»
(( উক্ত হাদীসটি বিভিন্ন গ্রন্থে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে,))
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ((خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ فِيهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ أُهْبِطَ وَفِيهِ تِيبَ عَلَيْهِ وَفِيهِ مَاتَ وَفِيهِ تَقُومُ السَّاعَةُ وَمَا مِنْ دَابَّةٍ إِلاَّ وَهِيَ مُسِيخَةٌ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مِنْ حِينَ تُصْبِحُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ شَفَقًا مِنَ السَّاعَةِ إِلاَّ الْجِنَّ وَالإِنْسَ وَفِيهِ سَاعَةٌ لاَ يُصَادِفُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ حَاجَةً إِلاَّ أَعْطَاهُ إِيَّاهَا)). قَالَ كَعْبٌ ذَلِكَ فِي كُلِّ سَنَةٍ يَوْمٌ. فَقُلْتُ بَلْ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ.
অর্থাৎ!! আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যে সব দিনে সূর্যোদয় হয় তার মধ্যে জুমুআর দিনই উত্তম। ঐ দিনেই . আদম আলাইহিস সালাম সৃষ্টি হয়েছিলেন, ঐ দিনই তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়, ঐ দিনই তাঁর তওবা কবুল হয় এবং ঐ দিন তিনি ইন্তিকাল করেন। ঐ দিনই কিয়ামত কায়েম হবে, এই দিন জীন ও ইনসান ব্যতীত সমস্ত প্রাণীকুল সুবহে সাদেক হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত থাকবে। এই দিনের মধ্যে এমন একটি সময় নিহিত আছে, তখন কোন মুসলিম বান্দা নামায আদায়ের পর আল্লাহর নিকট যা প্রার্থনা করবে তাই প্রাপ্ত হবে।
কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এইরূপ দু’আ কবুলের সময় সারা বছরের মধ্যে মাত্র এক দিন। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, বছরের একটি দিন নয়, বরং এটা প্রতি জুমুআর দিনের মধ্যে নিহিত আছে।
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং«1048»
عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ((إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَّامِكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ عَلَيْهِ السَّلاَمُ وَفِيهِ قُبِضَ وَفِيهِ النَّفْخَةُ وَفِيهِ الصَّعْقَةُ فَأَكْثِرُوا عَلَيَّ مِنَ الصَّلاَةِ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ مَعْرُوضَةٌ عَلَيَّ)). قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ تُعْرَضُ صَلاَتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرَمْتَ أَيْ يَقُولُونَ قَدْ بَلِيتَ. قَالَ: ((إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ حَرَّمَ عَلَى الأَرْضِ أَنْ تَأْكُلَ أَجْسَادَ الأَنْبِيَاءِ عَلَيْهِمُ السَّلاَمُ)).
অর্থাৎ! আওস ইবনু আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের সকল দিনের মধ্যে পরমোৎকৃষ্ট দিন হল জুমু’আর দিন, সে দিন আদম (আলাইহিস সালাম) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল, সে দিনই তাঁর ওফাত হয়, সে দিনই দ্বিতীয় বার শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং সে দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। অতএব, তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরুদ পড়। কেননা, তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়। তারা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! কিভাবে আমাদের দরুদ আপনার কাছে পেশ করা হবে। যেহেতু আপনি (এক সময়) ওফাত পেয়ে যাবেন অর্থাৎ তারা বললেন, আপনার দেহ মাটির সাথে মিশে যাবে। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা যমীনের জন্য নাবীগণের দেহ গ্রাস করা হারাম করে দিয়েছেন।
{{ সুনানে নাসাঈ হাদিস নং-1385 }}
✴️শ্রদ্ধেয় ও বুদ্ধিজীবী পাঠক-পাঠিকা! উপরোক্ত হাদীসসমূহের পর্যবেক্ষণ হতে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, যে সব দিনে সূর্যোদয় হয় তন্মধ্যে সর্বোত্তম ও পরমোৎকৃষ্ট দিন হল জুমু’আর দিন। এবং উক্ত হাদিস সমূহে জুমার দিনের সর্বোত্তম হওয়ার কারণও বর্ণিত হয়েছে যথা-
১, জুমার দিন আল্লাহ আদম (আলাইহিস সালাম) কে সৃষ্টি করেন।
২,, জুমার দিনই আল্লাহ তাঁকে পৃথিবীতে পাঠান।
৩,, এবং জুমার দিনই আল্লাহ তাঁর মৃত্যু দান করেন।
৪,, জুমার দিনই তাঁর তওবা কবুল হয়।
৫,, ঐ দিনই কিয়ামত কায়েম হবে।
✴️উপরোক্ত বিষয়াদি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে বুঝা যাবে, জুমার দিন উৎকৃষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ হয়েছে, আদম আলাইহিস সালামের সৃষ্টি, তাঁর দুনিয়ায় আগমন, তাঁর ইন্তেকাল এবং তাঁর তওবা গ্রহণের কারণে।
অতঃপর সেই দিনকে মুসলমানদের জন্য আল্লাহ তাআলা দোয়া কবুলিয়াতের দিন ও সাপ্তাহিক ঈদ বানিয়ে দিয়েছেন এবং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম সেই দিন বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের মাধ্যমে সেই দিনকে পালন করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। সুতরাং প্রতীয়মান হল যে, কোন নবীর সৃষ্টি, দুনিয়ায় আগমন ও ইন্তেকালের দিন কে নেক কাজের মাধ্যমে পালন করা অথবা সেই দিনে বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করা অবশ্যই নেক ও ভালো কাজ । আর যেহেতু নবী কারীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোৎকৃষ্ট নবী তাই তাঁর আগমনের দিনে খুশি পালন করা, ঈদ বানিয়ে নেওয়া এবং সেই দিন কে বেশী বেশী দরুদ ও সালাম পাঠ ও অন্যান্য নেক কাজের মাধ্যমে পালান ও সেলিব্রেট করা উপরোক্ত হাদীস সমূহ হতেই প্রতীয়মান হয়।
✴️ উল্লেখ্য যে, জুমার দিন টি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা অপেক্ষাও উত্তম ও উৎকৃষ্ট। কারণ সেই দিনে আদম আলাই সালাম কে আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন, আদম আলাইহিস সালাম কে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন, আদম আলাইহিস সালাম এর তওবা সেইদিন গ্রহণ করেছেন ও আদম আলাইহিস সালাম কে সেই দিন অফাত দিয়েছেন। একটু ভাবুন! যদি আদম আলাইহিস সালাম এর সৃষ্টি, দুনিয়ায় আগমন, তৌবা গ্রহণ ও ইন্তেকালের কারণে জুম্মার দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা অপেক্ষা উত্তম হয় তাহলে, আদম আলাই সালাম থেকে উৎকৃষ্ট ও আদম আলাইহিস সালামের যিনি নবী যথা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেদিন জন্মগ্রহণ করেছেন ও যেদিন ইন্তেকাল করেছেন সেই দিন টি ঈদুল আযহা, ঈদুল ফিতর ও জুমার দিন অপেক্ষাও উৎকৃষ্ট হওয়া উচিত কিনা?
وما توفيقي الا بالله العلي العظيم و الصلاة والسلام على حبيبه الكريم صلى الله عليه وسلم
✍️ মুফতী আমজাদ হুসাইন সিমনানী, পরিচালক সিমনানী রিসার্চ সেন্টার✍️
🌍 থানা- কুশমন্ডি, জেলা- দক্ষিন দিনাজপুর, রাজ্য- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত 🌍
নোট:- কোন মসআলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের
SIMNANI RESEARCH CENTRE & HOLY-WAY TEAM

সমাজের পাশে দ্বীনের খেদমতের জন্য সব সময় আছে।*আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য-এই লিংকে ক্লিক করুন www.keyofislam.com

আমাদের Real Sunni TvHoly way ইউটিউব চ্যানেল গুলি কে  SUBSCRIBE করুন

আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply

This Post Has 8 Comments

  1. Abdullah

    Important topic 👍

  2. Simna

    Keep it continue

  3. Hussain

    Jazaakallah khaira for uploading this post

  4. Samizuddin

    Nice

  5. Samizuddin

    খুব ভাল লাগল আপনার এই লেখাটা

  6. Noor Alam qadri

    খুব সুন্দর হয়েছে

  7. Noor Alam qadri

    Thanks keyofislam