স্ত্রী মিলন ও সহবাসের ইসলামী পদ্ধতি।

স্ত্রী মিলন ও সহবাসের ইসলামী পদ্ধতি।

স্ত্রী মিলন ও সহবাসের ইসলামী পদ্ধতি।

       💫بسم الله الرحمن الرحيم 💫
💞نحمده تبارك و تعالي و نصلي ونسلم على حبيبه الاعلى أما بعد-💞
💖প্রিয় মুসলিম সমাজ! কোরআন ও হাদিসের আলোকে স্ত্রী সহবাসের নির্দিষ্ট কোন নিয়ম ও পদ্ধতি পাওয়া যায় না। যে কোন পদ্ধতিতে সহবাস ও সঙ্গম করলে তা জায়েয বলে বিবেচিত হবে। হ্যা হাদিসের পর্যবেক্ষণ থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, স্ত্রীর মলদ্বার তথা পায়খানার রাস্তায় সংগম করা হারাম, নিষিদ্ধ ও গুনাহ। মলদ্বার বাদ দিয়ে আপনার ইচ্ছা মোতাবেক আপনি সহবাস করতে পারেন এতে আপনার কোনো গুনাহ হবে না।
তবে উত্তম তরিকা হল, ১,, স্ত্রীকে নিচে রেখে সহবাস করা। ২,, স্ত্রীর লজ্জাস্থানের দিকে অথবা স্বামীর লজ্জাস্থানের দিকে না তাকানো। ৩,, পরিপূর্ণ উলঙ্গ হয়ে সহবাস না করা। ৩,, সঙ্গমের সময় কোন এক কাপড় দিয়ে নিজেদের ঢেকে নেওয়া।
স্বামী-স্ত্রী মিলন সংক্রান্ত কিছু হাদীস নিম্নে প্রদত্ত হলো, আশা করি মনোযোগ সহকারে তা অধ্যায়ন করবেন-
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: ” إِنَّ ابْنَ عُمَرَ وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَهُ أَوْهَمَ إِنَّمَا كَانَ هَذَا الْحَيُّ مِنَ الْأَنْصَارِ وَهُمْ أَهْلُ وَثَنٍ مَعَ هَذَا الْحَيِّ مِنْ يَهُودَ وَهُمْ أَهْلُ كِتَابٍ وَكَانُوا يَرَوْنَ لَهُمْ فَضْلًا عَلَيْهِمْ فِي الْعِلْمِ فَكَانُوا يَقْتَدُونَ بِكَثِيرٍ مِنْ فِعْلِهِمْ وَكَانَ مِنْ أَمْرِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَنْ لَا يَأْتُوا النِّسَاءَ إِلَّا عَلَى حَرْفٍ وَذَلِكَ أَسْتَرُ مَا تَكُونُ الْمَرْأَةُ فَكَانَ هَذَا الْحَيُّ مِنَ الْأَنْصَارِ قَدْ أَخَذُوا بِذَلِكَ مِنْ فِعْلِهِمْ وَكَانَ هَذَا الْحَيُّ مِنْ قُرَيْشٍ يَشْرَحُونَ النِّسَاءَ شَرْحًا مُنْكَرًا، وَيَتَلَذَّذُونَ مِنْهُنَّ مُقْبِلَاتٍ وَمُدْبِرَاتٍ وَمُسْتَلْقِيَاتٍ فَلَمَّا قَدِمَ الْمُهَاجِرُونَ الْمَدِينَةَ تَزَوَّجَ رَجُلٌ مِنْهُمُ امْرَأَةً مِنَ الْأَنْصَارِ فَذَهَبَ يَصْنَعُ بِهَا ذَلِكَ فَأَنْكَرَتْهُ عَلَيْهِ، وَقَالَتْ: إِنَّمَا كُنَّا نُؤْتَى عَلَى حَرْفٍ فَاصْنَعْ ذَلِكَ وَإِلَّا فَاجْتَنِبْنِي، حَتَّى شَرِيَ أَمْرُهُمَا فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ {نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ} [البقرة: ٢٢٣] أَيْ: مُقْبِلَاتٍ وَمُدْبِرَاتٍ وَمُسْتَلْقِيَاتٍ يَعْنِي بِذَلِكَ مَوْضِعَ الْوَلَدِ (حسن)
অর্থাৎ! ইবনু ‘আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে ক্ষমা করুন, তিনি ভুল করেছেন। আসল কথা হচ্ছে, আনসারদের এই জনপদের লোকেরা মূর্তিপূজারী ছিলো। তারা আহলে কিতাব ইয়াহুদীদের সাথে বসবাস করতো এবং ইয়াহুদীরা জ্ঞানের দিক দিয়ে মূর্তিপূজারীদের উপর নিজেদের মর্যাদা দিতো। সুতরাং তারা নিজেদের কাজকর্মে ইয়াহুদীদের অনুসারী ছিলো। আহলে কিতাবদের নিয়ম ছিলো, তারা স্ত্রীদেরকে কেবল চিৎ করে শুইয়ে সঙ্গম করতো এবং বলতো, মহিলাদের সতর এ নিয়মে অধিক সংরক্ষিত। আনসার সম্প্রদায়ও তাদের এ কাজে আহলে কিতাবদের নিয়ম অনুসরণ করতো। কিন্তু কুরাইশরা নারীদেরকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে সঙ্গম করতো এবং তাদেরকে সামনাসামনি, পেছনের দিকে এবং চিৎ করে শুইয়ে বিভিন্নভাবে সঙ্গম করতো।
অতঃপর যখন মুহাজিরগণ মদীনায় আসলেন তখন তাদের এক ব্যক্তি জনৈক আনাসারী নারীকে বিয়ে করে তার সাথে ঐভাবে সঙ্গম করতে চাইলো যেভাবে তারা মক্কার নারীদের সাথে করতো। কিন্তু মহিলাটি তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললো, আমরা শুধু এক অবস্থায়ই সঙ্গম করি। সুতরাং তোমাকেও সেভাবেই সঙ্গম করতে হবে অন্যথায় আমার থেকে দূরে থাকো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে গেলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের ক্ষেতস্বরূপ, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা করো তোমাদের ক্ষেতে গমন করো।’’ অর্থাৎ সামনের দিক থেকে, পিছনের দিক থেকে বা চিৎ করে শুইয়ে তার লজ্জাস্থানেই সঙ্গম করো।
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-2166 }}
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ الْيَهُودَ قَالُوا لِلْمُسْلِمِينَ مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ وَهِيَ مُدْبِرَةٌ جَاءَ وَلَدُهُ أَحْوَلَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ
অর্থাৎ! জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, ইয়াহুদীরা মুসলিমদেরকে বলত যে, কোন লোক তার স্ত্রীর পিছন দিক থেকে (তার যোনি দ্বারে) সংগম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন: অর্থাৎ “স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার। (সূরা বাকারাঃ ২২৩)
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-2165 }}
{{ সুনানে দারেমী হাদিস নং-2253.}}
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-3609 }}
عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ سَمِعَ جَابرًا يَقُولُ كَانَتِ الْيَهُودُ تَقُولُ إِذَا أَتَى الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ مِنْ دُبُرِهَا فِي قُبُلِهَا كَانَ الْوَلَدُ أَحْوَلَ فَنَزَلَتْ ‏{‏ نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ‏}‏
অর্থাৎ! জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ইয়াহুদীরা বলত, কোন লোক স্ত্রীর পেছন দিক থেকে তার যোনী দ্বারে সঙ্গম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয় অর্থাৎ “স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার”- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)।
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-3608 }}
عَنْ جَابِرٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ وَزَادَ فِي حَدِيثِ النُّعْمَانِ عَنِ الزُّهْرِيِّ إِنْ شَاءَ مُجَبِّيَةً وَإِنْ شَاءَ غَيْرَ مُجَبِّيَةٍ غَيْرَ أَنَّ ذَلِكَ فِي صِمَامٍ وَاحِدٍ ‏.‏
অর্থাৎ! জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে যুহরী সূত্রে বর্ণিত। নু’মান অতিরিক্ত বলেছেন, স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে তবে একই দ্বারে হতে হবে।
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-«3610 }}
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ إِذَا بَاتَتِ الْمَرْأَةُ هَاجِرَةً فِرَاشَ زَوْجِهَا لَعَنَتْهَا الْمَلاَئِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ ‏”‏
অর্থাৎ! আবূ হুরায়রাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, স্বামীর বিছানা পরিহার করে কোন স্ত্রী রাত্রি যাপন করলে ফজর পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তার প্রতি লা’নাত করতে থাকেন।
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-3611 }}
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ إِذَا دَعَا الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَلَمْ تَأْتِهِ فَبَاتَ غَضْبَانَ عَلَيْهَا لَعَنَتْهَا الْمَلاَئِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ ‏”‏ ‏.‏
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসায় তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা’নাত করতে থাকে।
{{ সহীহ মুসলিম হাদিস নং-3614 }}
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ((مَلْعُونٌ مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَا)).
অর্থাৎ! হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি অভিশপ্ত যে নিজ স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গম করল।
{{ সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং-«2164
عَنْ عَلِيِّ بْنِ طَلْقٍ، قَالَ أَتَى أَعْرَابِيٌّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ الرَّجُلُ مِنَّا يَكُونُ فِي الْفَلاَةِ فَتَكُونُ مِنْهُ الرُّوَيْحَةُ وَيَكُونُ فِي الْمَاءِ قِلَّةٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ إِذَا فَسَا أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأْ وَلاَ تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَعْجَازِهِنَّ فَإِنَّ اللَّهَ لاَ يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَلِيِّ بْنِ طَلْقٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ
অর্থাৎ! আলী ইবনু ত্বালক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে কোন লোক মাঠেঘাটে বা জংগলে থাকে। এ অবস্থায় যদি তার পেট হতে বায়ু বের হয় এবং (তার নিকটে) সামান্য পানি থাকে (তবে সে কি করবে)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কারো বায়ু বের হলে সে যেন ওযু করে। তোমরা নারীদের পশ্চাৎদ্বারে সহবাস কর না। আল্লাহ তা’আলা সত্য ও সঠিক কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন না।
{{ সুনানে তিরমিযী হাদিস নং-1197 }}
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ لاَ يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى رَجُلٍ أَتَى رَجُلاً أَوِ امْرَأَةً فِي الدُّبُرِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ
অর্থাৎ! ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোন পুরুষ বা স্ত্রীলোকের মলদ্বারে সংগম করে (কিয়ামাতের দিন) আল্লাহ তা’আলা তার দিকে (দয়ার দৃষ্টিতে) তাকাবেন না। 
এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান গারীব বলেছেন।
{{ সুনানে তিরমিযী হাদিস নং-1198 }}
عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ إِذَا فَسَا أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأْ وَلاَ تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَعْجَازِهِنَّ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَعَلِيٌّ هَذَا هُوَ عَلِيُّ بْنُ طَلْقٍ ‏.‏
অর্থাৎ! আলী ইবনু ত্বালক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ বায়ু ত্যাগ করলে সে যেন ওযু করে। তোমরা নারীদের গুহ্যদ্বারে সহবাস কর না।
হাদীসে বর্ণিত রাবী আলী, ইনি হলেন আলী ইবনু তালক।
{{ সুনানে তিরমিযী হাদিস নং- 1199 }}
خُزَيْمَةَ بْنَ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي مِنْ الْحَقِّ لَا تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَعْجَازِهِنَّ
অর্থাৎ! হযরত খুযাইমা ইবনু সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: “আল্লাহ তা’আলা হাক্ক প্রকাশে লজ্জা বোধ করেন না। তোমরা নারীদের পশ্চাদ্দারে গমণ করবে না।
{{ সুনানে দারেমী হাদিস নং-2252.}}
🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের সমস্ত মুসলিম ভাই বোনদের উপরোক্ত হাদীছ সমূহের উপর আমল করে জীবন অতিবাহিত করার শক্তি প্রদান করুন আমীন!
✍️মুফতী আমজাদ হুসাইন সিমনানী, প্রেসিডেন্ট সুন্নি মিশন ও পরিচালক সিমনানী রিসার্চ সেন্টার✍️
💎 থানা- কুশমন্ডি, জেলা- দক্ষিন দিনাজপুর, রাজ্য- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত💎
নোট:- কোন মসআলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের
SIMNANI RESEARCH CENTRE & HOLY-WAY TEAM

সমাজের পাশে দ্বীনের খেদমতের জন্য সব সময় আছে।*আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য-এই লিংকে ক্লিক করুন www.keyofislam.com

আমাদের Real Sunni TvHoly way ইউটিউব চ্যানেল গুলি কে  SUBSCRIBE করুন

আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply

This Post Has 7 Comments

  1. Abdullah

    جزاك الله خيرا

  2. Sajjadul Quadri

    Valo post

    1. Sajjadul Quadri

      Ai rokom post aro dorkar

  3. Samizuddin

    খুব ভালো লাগলো আপনার এই লেখা

  4. M moshtak

    Nice 👍

  5. M moshtak

    Go ahead Mufti saheb